প্রশ্ন: মুহতারাম, বর্তমান সময়ে ফেসবুক ও ইউটিউবে কিছু চ্যানেলে গরীব ও অসহায় মানুষদের সাহায্য সহযোগীতা করার ফুটেজ প্রকাশ করে যা দেখে অন্যরাও দান ছদকা করতে আগ্রহী হয়। তাছাড়া কোন ভিডিওতে সেই মানুষের ঠিকানাও প্রকাশ করা হয় যাতে অন্যান্য মানুষ তাকে সাহায্য করতে পারে। সেসব ভিডিও চলাকালীন কোন কোম্পানী বা কোন কোন পণ্যের স্পন্সর করা হয় (এই কাজটা করা হয় ম্যানুয়ালী তথা কোম্পানী ও প্রোডাক্ট দেখে) এবং এর কারণে সেই কোম্পানী থেকে মূল্য নেয়া হয় যা ভিডিও ধারণ কারীর ভিডিওধারণ সহ নিজ প্রয়োজনে ব্যয় করে।
আমার জানার বিষয় হলো-
১। এসব ভিডিও প্রকাশ করা যাবে কিনা? যাতে মানুষ এটা দেখে শিখে ও আগ্রহী হয়।
২। ভিডিও চলাকালীন কোন কোম্পানী বা পণ্যের অ্যাড প্রচার করা যাবে কিনা? সে পণ্য যদি বৈধ বা হালাল হয় বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।
নিবেদক
মুহা. নাইম ফরহাদ
উত্তর: শরয়ী দৃষ্টিতে ডিজিটাল ক্যামরায় ধারণকৃত প্রাণির ছবি ও ভিডিও শরীয়াহ নিষিদ্ধ হারাম ছবির অন্তর্ভূক্ত হওয়া না হওয়া নিয়ে উলামায়ে কেরামের মাঝে মতানৈক্য পরিলক্ষিত হলেও অধিকাংশ আলেমের মতে তা হারাম ছবির অন্তর্ভুক্ত। তবে কোনো কোনো মুহাক্কিক আলেম তা বৈধ হওয়ার ব্যাপারেও মত পোষণ করেছেন। তাই বিনা প্রয়োজনে এই ধরনের ছবি, ভিডিও থেকে বেঁচে থাকায় উচিত।
সুতরাং প্রশ্নোল্লিখিত সুরতে শরীয়া পরিপন্থী কোন ধরনের কর্মকাণ্ড না থাকার শর্তে অনুদান গ্রহীতার অনুমতিক্রমে এবং অন্যদেরকে দান, সদকায় অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজন বশত এই ধরনের ভিডিও প্রচার করা অধিকাংশ উলামাদের দৃষ্টিতে অবৈধ হলেও কিছু মুহাক্কিক উলামাদের মতের উপর আমল করতঃ তার অবকাশ দেয়া যেতে পারে। পাশাপাশি ভিডিও চলাকালীন কোন বৈধ কোম্পানী বা হালাল পণ্যের অ্যাড প্রচার করাও দোষণীয় নয়। তবে এ ক্ষেত্রে মানুষ ধোঁকা খাওয়ার আশংকা মুক্ত থাকতে হবে।





