প্রশ্ন:
মুহতারাম, মুফতি সাহেব কয়েক বছর পূর্বে আমি আমার আম্মুকে হজ্ব করানোর জন্য একটি হজ্ব এজেন্সিকে ৮০ হাজার টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু ঐ বছর আমার আম্মু রাজি না থাকায় হজ্বে পাঠানো সম্ভব হয়নি। এদিকে হজ্ব এজেন্সি কর্তৃপক্ষ ও পুরোপুরি টাকা ফেরত দেয়নি। বর্তমানে আমার আম্মু অতিশয় বৃদ্ধা হয়ে যাওয়ায় স্বশরীরে হজ্ব করতে অক্ষম হয়ে গেছেন।
জানার বিষয় হলো- এখন আমার করণীয় কী? দলীলসহ বিস্তারিত জানাবেন।
আগামী বছর আমি ও আমার স্ত্রী এক সাথে হজ্বে যাবো। তখন আমি বা আমার স্ত্রী স্বীয় হজ্ব আদায়ের পাশাপাশি আমার আম্মার হজ্বটি আদায় করতে পারবো কিনা?
বদলি হজ্ব কোন ব্যক্তিকে দিয়ে করানো উত্তম? বিস্তারিত জানাবেন।
উত্তর:
শরয়ী দৃষ্টিতে হজ্ব ফরয হওয়ার পর কোনো কারণে তা আদায়ে অক্ষম হলে এবং মৃত্যু পর্যন্ত সক্ষমতা ফিরিয়ে পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে যাবতীয় খরচ বহর করতঃ কারো মাধ্যমে বদলী হজ্ব করানো আবশ্যক। অন্যথায় মৃত্যুর পূর্বে অসিয়ত করে যাওয়া আবশ্যক।
সুতরা প্রশ্নোক্ত সুরতে আপনার আম্মার উপর যদি হজ্ব ফরজ হয়ে থাকে তাহলে এমতাবস্থায় আপনার আম্মার সম্পদ থেকে হজ্বের যাবতীয় খরচ বহন করতঃ আপনারা কেউ কিংবা অন্য কারো মাধ্যমে বদলী হজ্ব করাবেন।
কিন্তু প্রশ্নের বিবরণ অনুযায়ী আপনাদের স্বীয় হজ্ব আদায়ের পাশাপাশি আপনার আম্মার হজ্ব আদায় করতে পারবেন না। কারণ কোনো ব্যক্তির জন্য এক সাথে (তার ও অন্যের) দু ফরজ হজ্ব আদায় করার অবকাশ নেই। হ্যাঁ, পরবর্তী যে কোনো বছরে আপনার মায়ের পক্ষ থেকে বদলী হজ্ব করতে পারবেন। আর বদলী হজ্বের ক্ষেত্রে সর্ব উত্তম ব্যক্তি হলো- যে হজ্বের যাবতীয় আহকাম সম্পর্কে অবগত, সাথে সাথে নিজের ফরজ হজ্বও আদায় করেছে।





