প্রশ্ন: জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, জনৈক গরিব ব্যক্তি ছেলেদের টাকা দ্বারা উমরা করার নিয়ত করে এবং মক্কা শরীফে যাওয়ার যাবতীয় কাগজ পত্রের ইন্তেজামও হয়ে যায়। কিন্তু উমরা করার পূর্বে লোকটি মারা যান। তবে মারা যাওয়ার পূর্বে ছেলেকে লক্ষ্য করে বলে “তুমি রওজা পাকে আমার সালাম পৌছে দিও”
এখন আমার প্রশ্ন হলো: ১. লোকটি উমরার যাবতীয় কাগজ পত্র প্রস্তুত করার পর উমরা না করে মারা যাওয়ার কারণে তার পক্ষ থেকে “বদলী উমরা” করা আবশ্যক কি না? এবং সালাম পৌছানো জরুরি কি না? ২. যদি আবশ্যক না হয়, তাহলে তার জন্য নতুন উমরা করা হলে উক্ত উমরা তার পক্ষ থেকে আদায় হবে কি না? জানালে উপকৃত হবো।
নিবেদক
ডা: আলমগীর, ঢাকা
উত্তর: প্রশ্নে বর্ণিত ব্যক্তি উমরা পালনের উদ্দেশ্যে যাবতীয় কাগজ পত্রের ইন্তেজাম করার দ্বারা উমরা করা তার উপর আবশ্যক হয়নি। কেননা শরীয়তের দৃষ্টিতে উমরা করা কেবল মাত্র নিয়ত করে ইহরাম ও তালবিয়া পড়ার দ্বারা আবশ্যক হয়। আর রওজাপাকে সালাম পৌছাতে বললে উমরা আদায়ের অসিয়ত হয় না।
হ্যাঁ, যদি কোন ব্যক্তি মৃত বাবার ইছালে সাওয়াবের উদ্দেশ্যে উমরা করে এবং নবীজির রওজায় সালাম পৌছায়, তাহলে মৃত বাবা তার সাওয়াব পাবে এবং তার পক্ষ থেকে নবীজির রওজায় সালামও পেশ করা হবে।
উল্লেখ্য, ছেলেরো বাবাকে উমরার টাকা মালিক বানিয়ে হস্তান্তর করার পর পিতা মারা গেলে উক্ত টাকাগুলো পিতার মালীকানাধীন সাব্যস্ত হয়ে ওয়ারিশদের মধ্যে শরীয়ত সম্মতভাবে বন্টন করতে হবে, সে টাকা দিয়ে বদলী উমরা করা বা দাতা সে টাকা ফিরিয়ে নেয়া কোনটাই শরীয়তসম্মত হবে না।





