প্রশ্ন: মুহতারাম, আমার চাচাত ভাই তার বাবার ঘরে থাকে। তার বেতনের টাকা দিয়ে সংসার ভালোভাবেই চলে। কিন্তু তার কোন জমি না থাকায় ৫ লক্ষ টাকা দিয়ে অল্প কিছু জমি ক্রয় করে। ৫ লক্ষ টাকার ৪ লক্ষ টাকায় ঋণ করতে হয়েছে। বাকি এক লক্ষ টাকা নিজস্ব ক্যাশ ছিল। তিনি যাকাত গ্রহণ সংক্রান্তে আলেমদের সাথে পরামর্শ করলে গ্রহণ করতে পারবে বলে পরামর্শ প্রদান করায় আমি তাকে যাকাত বাবদ চার লক্ষ টাকা দিয়েছি যা তিনি ঋণ পরিশোধসহ অন্য কাজেও ব্যয় করেছে।
জানার বিষয় হলো বর্ণিত অবস্থায় আমার চাচাত ভাই প্রকৃত পক্ষে কি যাকাত গ্রহণের হকদার ছিল? যদি না থাকে এখন কি আমার পূনরায় যাকাত আদায় করা লাগবে? এবং তার গৃহিত টাকার কি হুকুম যা তিনি খরচ করে ফেলেছে?
উল্লেখ্য, তিনি বর্তমানে আরেকটি জমি ক্রয় করে চার লক্ষ টাকার চেয়ে বেশি ঋণী, এবং সে যাকাতের টাকা গ্রহণকালে নিজেকে মাসরাফ মনে করেছে।
নিবেদক
মুহা. শেখ ফরিদ উদ্দিন
উত্তর: শরীয়তের দৃষ্টিতে ঋনগ্রস্থ ব্যক্তির যদি ঋন পরিশোধের জন্য এমন কোন সম্পদ না থাকে, যা দ্বারা ঋণ আদায় করার পরও নেসাব পরিমাণের মালিক থাকে; তাহলে তার জন্য যাকাত গ্রহণ করার অবকাশ আছে।
সুতরাং প্রশ্নোক্ত সুরতে আপনার চাচাতো ভাই চার লক্ষ টাকা ঋণ নেয়ার পর তা পরিশোধে সামর্থবান না হওয়ায় সে যাকাত গ্রহণের হকদার হিসেবে বিবেচিত হবে। ফলে আপনি তাকে যাকাত বাবদ যে চার লক্ষ টাকা দিয়েছেন তা আপনার যাকাত হিসেবে আদায় গণ্য হবে।





