Responsive Menu
Add more content here...

মহিলাদের চাকুরী করার শরয়ী ‍দৃষ্টিকোণ

প্রশ্ন: 
জনাব, আসসালামু আলাইকুম, হুজুর আমার স্ত্রী চাকুরী করতে চায়, বর্তমান যুগের অবস্থা ভালনা, তাই আমি রাজি নাই, কিন্তু সে বুঝতে চায়না, সে বলে চাকুরী করবেই, আমি আমার স্ত্রীর যাবতীয় খরচ বহন করছি। চাকরি করিওনা বললে সে অনেক রাগ করে এবং বলে চাকরি করা না-কি তার অনেক দিনের আশা। এখন আমি কি করব? দয়া করে জানাবেন. আর ব্যাংক এ চাকুরী করা যাবে কিনা?
الجواب باسم ملهم الصدق والصواب
উত্তর: 
১. ইসলাম নারী পুরুষ প্রত্যেকের জিম্মাদারী ও দায়িত্ব পৃথকভাবে বন্টন করে দিয়েছে। বাহিরের সকল দায়িত্ব স্বামীর কাঁধে অর্পিত। আর ঘরের কাজ ও সন্তান লালন-পালন বা আভ্যন্তরীণ দায়িত্বগুলো স্ত্রীর উপর ন্যাস্ত। পাশাপাশি শরীয়তের নিষিদ্ধ কাজ ব্যতিত সকল বৈধ আদেশের ক্ষেত্রে স্ত্রীর জন্য স্বামীর আনুগত্য করা আবশ্যক। হযরত আলী রা.ও ফাতেমা রা. এর পারিবারিক জীবন এ ব্যাপারে এক উজ্জল দৃষ্টান্ত।
সুতরাং, আপনি যেহেতু আপনার স্ত্রীর যাবতীয় খরচাদি বহন করছেন, তাই আপনার ইচ্ছার বিপরীতে তার জন্য কোন ধরণের চাকরি করে অর্থ উপার্জন করা জায়েয নেই। তবে যদি আপনার স্ত্রী ঘরোয়া সবগুলো দায়িত্ব পরিপূর্ণভাবে পালন করে, এদিকে পুরুষ মহিলার আলাদাভাবে শরয়ী পর্দা রক্ষার শতভাগ নিশ্চয়তাসহ কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়, স্বামীও এতে সম্মাতি প্রদান করে, এমন পরিবেশে পর্দার সাথে দ্বীনি খেদমত অথবা দুনিয়াবী বৈধ কোন চাকরি করে অর্থ উপার্জন বৈধ হবে।
শরীয়তের এ সকল বিধান স্ত্রীকে আন্তরিক পরিবেশে শুনানোর পরেও যদি আপনার স্ত্রী সংশোধন না হয় তাহলে উভয়ের অভিভাবক ও মুরুব্বিদের মাধ্যমে তাকে বুঝানোর চেষ্টা করুন। পাশাপাশি আপনার স্ত্রীর জন্য ধর্মীয় শিক্ষা-দীক্ষার ব্যবস্থা করে ইসলামী জীবন গড়ে তুলুন।

২. যে সকল ব্যাংক গ্রাহকদের সাথে সুদী লেনদেন করে থাকে, সে সব সুদী ব্যাংকে চাকরি করা হারাম। কারণ কুরআনে কারীমে স্পষ্টভাবে সুদকে হারাম বলা হয়েছে। আর হারাম কর্মস্থানে চাকরি করাও হারাম। রাসূল সা. এরশাদ করেন- “সুদ গ্রহীতা ও সুদ দাতা এবং সুদী লেনদেনের লেখক ও স্বাক্ষীদের উপর অভিশম্পাত হোক।” তবে যেসকল ব্যাংক সুদ মুক্ত লেনদেন করে থাকে সেগুলোতে চাকরি করা নারীদের জন্য পূর্ণ শর্তসাপেক্ষে বৈধ হবে, আর পুরুষের জন্য বৈধ।

الادلة الشرعية

سورة النساء: الأية:34

                  الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاء

سورةالاحزاب: الأية:33

وَقَرْنَ فِي بُيُوتِكُنَّ وَلا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الأُولَى

سنن ابى داود: رقم:565

عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- « لاَ تَمْنَعُوا نِسَاءَكُمُ الْمَسَاجِدَ وَبُيُوتُهُنَّ خَيْرٌ لَهُنَّ

اعلاء السنن:8/4008 ، دار الفكر.  المرءة محبوسة على الزوج يمنعها من التصرف والاكتساف فلا بد ان ينفق عليها كالعبد مع سيده.

 

الدر المختار:3/572

ونفقة الغير تجب على الغير بأسباب ثلاثة: زوجية … فتجب للزوجة بنكاح صحيح … على زوجها  لانها جزاء الاحتباس، وكل محبوس لمنفعة غيره يلزمه نفقته

بدائع الصنائع:3/418 زكريا

أَنَّ الْمَرْأَةَ مَحْبُوسَةٌ بِحَبْسِ النِّكَاحِ حَقًّا لِلزَّوْجِ مَمْنُوعَةٌ عن الِاكْتِسَابِ بِحَقِّهِ فَكَانَ نَفْعُ حَبْسِهَا عَائِدًا إلَيْهِ فَكَانَتْ كِفَايَتُهَا عليه كَقَوْلِهِ صلى اللَّهُ عليه وسلم الْخَرَاجُ بِالضَّمَانِ وَلِأَنَّهَا إذَا كانت مَحْبُوسَةً بحبسه مَمْنُوعَةٍ عن الْخُرُوجِ لِلْكَسْبِ بِحَقِّهِ فَلَوْ لم يَكُنْ كِفَايَتُهَا عليه لَهَلَكَتْ وَلِهَذَا جُعِلَ لِلْقَاضِي رِزْقٌ في بَيْتِ مَالِ الْمُسْلِمِينَ لِحَقِّهِمْ لِأَنَّهُ مَحْبُوسٌ لِجِهَتِهِمْ مَمْنُوعٌ عن الْكَسْبِ فَجُعِلَتْ نَفَقَتُهُ في مَالِهِمْ وهو بَيْتُ الْمَالِ.

الفقة الحنفى فى ثوبه الجديد:2/125 دار القلم.

الاسلام لم يكلف المراة بالاكتساب والعمل فى ايّ مرحلة من مراحل حياتها، لانه لم يكلفها بشئي من النفقة بل جعل نفقتها على غيرها … فعند ما تكون زوجة فنفقتها على زوجها. ومع هذا فقد اباح الاسلام للمراة ان تعمل وتكتسب لكن ذالك مقيد بشروط هى .. 1. ان يأذن لها زوجهابالعمل اذا كانت متزوجة. 2. الا يؤدي عملها الى اختلاطها بالرجال الاجانب عنها اوالخلوة بهم . 3. ان يكون عملها متنا سبا مع انوثتها كالخياطة والتمريض والتعليم ونحو ذلك. فلا يجوز ان تعمل اعمالا تتناسب مع خشونة الرجال حتى لا تتشبه بهم.

آپ کے مسائل اور انکا حل:6/327، لدھیانوی۔

جس عورت کا شوہر موجود ہو اور وہ معذور نہ ہو کما سکتا ہو اس کا نا ن و نفقہ شوہر کے ذمے ہے اس کو ملازمت کی کوئی مجبوری نہیں،  ایسی عورت کو چاہئے کہ وہ  ملازمت ترک کر دے اور شوہر سے نان  و نفقہ کا مطالبہ کرے۔

سورة البقرة: الأية:275

وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا

صحيح مسلم:2/27، اشرفى بوك ديفو.

عَنْ جَابِر ، قَالَ : لَعَنَ رَس!ولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم  اَكِلَ الرىبا ، وَمُوكِلَهُ ، وَكَاتِبَهُ ، وَشَاهِلغهِ ، وَقَالَ : هُمْ سَوَاءٌ لما .

فتاوی دار العلوم دیوبند:14/491 بینک میں ملازمت کرنا

                  الجواب: حدیث شریف میں ہے کہ رسول اللہ  صلی اللہ علیہ وسلم نے لعنت  فرمائی ہے سود کے لینے والے اور دینے والے اور کاتب و شاہد پر  ۔پس جس میں سود کا لکھنا پڑھنا اور حساب کرنا پڑے اس حدیث کی وجہ سے وہ نوکری جائز نہیں ہے … سود کم دینا پڑے یا زیادہ جرام میں برابر ہے۔

والله أعلم بالصواب

উত্তর প্রদানে:  মুফতি শরীফ মালিক / মুফতি ও মুহাদ্দিস: শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার ঢাকা

Facebook
X
LinkedIn
Telegram
WhatsApp
Pocket